বারীন ঘোষাল, যেভাবে দেখেছি...!

শুভময় সরকার


না, তিনি আমার প্রাত্যহিঠযোগাযোগের তালিকায় ছিলেন না। তাঁর সাহিত্যভাব নার সংগেও আমি সেভাবে নেই তবু বারীনদা,সদৠà¦¯à¦ªà§à¦°à§Ÿà¦¾à¦¤ বারীন ঘোষাল সম্পর্কিত এই লেখা আমি লিখছি। বন্ধু সম্পাদকের আদেশ বা অনুরোধ একমাত্র কারণ নয় অবশ্যই। আসলে কোথাও এক তাগিদ অনুভব করছি বারীনদাকে স্মরণ করার। আমি তাঁর লেখার পাঠক ছিলাম, তিনি "মল্লার"এ লিখতেন,সেগ §à¦²à§‹ কারণ বটে কিন্তু এর বাইরেও নিবিড় এক গেরিলা যোগাযোগ গড়ে উঠেছিল আমাদের দুজনের। একটু ব্যক্তিগত হই বরং...! সালটা ২০০৬, খুব অসুস্থ আমি। ডাক্তাররা কিছুটা বিভ্রান্ত, বন্ধুরাও। কিছুদিন আগেই আমার গল্পসংকলন " যাপনকথা " প্রকাশিত হয়েছে সপ্তর্ষি থেকে। কোনো এক অনুষ্ঠানে বইটা দিয়েছিলাম বারীনদাকে, সঠিক মনে নেই কোথায় , হয়তো জলপাইগুড়িঠ¤à§‡à¥¤ চিকিৎসার জন্য হিল্লি দিল্লী ঘুরে তখন আমি কলকাতায়...! বাড়ি থেকে বাবার ফোন পেলাম,একটা চিঠি এসেছে। আমার অনুপস্থিতঠতে যা চিঠিপত্র এসেছিলো,à¦¸à¦¬à ¦‡ রাখা ছিল। কিছুদিন পর খানিকটা সুস্থ হয়ে শিলিগুড়ির বাড়িতে ফিরলাম,à¦¦à§‡à¦–à ²à¦¾à¦® বারীনদার চিঠি। আমার অসুস্থতার খবর জেনেছেন,উদ ্বিগ্ন হয়েই চিঠি এবং সংগে আমার à¦—à¦²à§à¦ªà¦¸à¦‚à¦•à¦²à¦¨à ‡à¦° পাঠপ্রতিকৠরিয়া। কি লিখেছিলেন সেটা বড় কথা নয়, সেদিন থেকেই হয়তোবা আমার সত্যিকারেঠ° সুস্থতার শুরু। একজন আপাদমস্তক কবির কলমে ওরকম à¦—à¦¦à§à¦¯à¦¸à¦‚à¦•à§à¦°à ¾à¦¨à§à¦¤ আলোচনা আমায় শুধু প্রাণিত করেনি, সমৃদ্ধ করেছিলো।
" কৌরব"- এর একমাত্র কমলদার সংগেই আমার ছিলো নিবিড় যোগাযোগ, বারীনদাকে চিনলাম অনেক পরে, জলপাইগুড়িঠ° অতনুদের (অতনু বন্দ্যোপাঠ্যায়) মাধ্যমে। তথাকথিত বড়কাগজের লেখক তিনি ছিলেননা, আগ্রহও ছিলোনা। বাংলা কবিতাভাবনঠয়, ক্লীশে মনরঞ্জনের সাহিত্য থেকে ঢের দূরত্বে ছিল বারীনদার সদম্ভ পদচারণা। তাঁর মেধা, মনন, কবিতাভাবনঠকে অস্বীকার করার স্পর্ধা হয়নি কারো। তাঁর সাহিত্যভাব নার সংগে সহমত কেউ হোন বা না হোন, তিনি বাংলা কবিতার জগতে অনিবার্য এক নাম ! তিনি বারীন ঘোষাল। সশ্রদ্ধ প্রণাম বারীনদা।